দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স ও মরক্কোর বহুল প্রতীক্ষিত লড়াই ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। কাতার বিশ্বকাপের চার বছর পর আবারও মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। তবে এবার মরক্কোকে আর চমকের দল হিসেবে দেখছেন না কেউ; বিশ্ব ফুটবলে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে আফ্রিকার দলটি।
কানাডাকে শেষ ষোলোতে ৩-০ গোলে হারানোর পর মরক্কোর কোচ মোহাম্মদ উয়াহবি বলেন, ‘এখন আমরা আর চমক নই, এটি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। আমি মনে করি, এটি কেবল শুরু। আশা করি, আমরা আগামী বহু বছর এমন সাফল্যের ধারা ধরে রাখতে পারব।’
তবে ফ্রান্সের বিপক্ষে প্রতিশোধ নেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য নয় বলে জানিয়েছেন উয়াহবি। তার মতে, দলের প্রধান উদ্দেশ্য যতদূর সম্ভব এগিয়ে যাওয়া এবং দেশের মানুষকে গর্বিত করা।
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল মরক্কো। সেই ম্যাচে হারের স্মৃতি থাকলেও এবার আলাদা মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামতে চায় আফ্রিকার দলটি।
মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী, মাঠের বাইরে বন্ধু
ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচে বন্ধুত্ব পাশে রেখে খেলতে হবে বলে জানিয়েছেন মরক্কোর অধিনায়ক আশরাফ হাকিমি। ফ্রান্স অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব থাকলেও মাঠের লড়াইয়ে সেটির কোনো প্রভাব পড়বে না বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।
হাকিমি ও এমবাপ্পে ক্লাব পর্যায়ে সতীর্থ ছিলেন এবং তাদের বন্ধুত্ব ফুটবল মহলেও পরিচিত। এই সম্পর্ক নিয়েই মজার একটি ভিডিও প্রকাশ করেন মরক্কোর কৌতুকশিল্পী মিমো লাজরাক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ওই ভিডিওতে তিনি মজা করে প্রশ্ন তোলেন, এমবাপ্পে যদি সত্যিকারের বন্ধু হন, তাহলে মরক্কোর প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ করে দেবেন কি না।
রসিকতার ছলে তিনি বলেন, প্রকৃত বন্ধুরা একে অপরকে সফল হতে সাহায্য করে। তবে মাঠের লড়াইয়ে বন্ধুত্ব নয়, দেশের জয়ই হবে হাকিমি ও এমবাপ্পেদের প্রধান লক্ষ্য।
ফ্রান্স এখনো ফেভারিট হিসেবে এগিয়ে থাকলেও, মরক্কোর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স প্রমাণ করেছে যে বড় দলগুলোর বিপক্ষেও লড়াই করার সামর্থ্য রয়েছে তাদের। তাই কোয়ার্টার ফাইনালের এই পুনর্মিলনীতে নতুন এক নাটকীয় লড়াইয়ের অপেক্ষায় ফুটবল বিশ্ব।
/অ